AP-1135
বেগুনের জাবপোকা দমনে কার্যকর
হারভেস্ট - অরগানোকার্বামেট জাতীয় বহুমুখী ক্ষমতা সম্পন্ন ইয়ন এর শক্তিশালী অন্তর্বাহী কীটনাশক। হারভেস্ট - স্প্রে করার পর গাছের সমস্ত অংশে এর বিষক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে। হারভেস্ট - গাছের ভিতরের ও বাহিরের সকল পোকা (মাজরা ও রস শোষণকারী পোকা) সফলভাবে দমন করে। হারভেস্ট - অনুমোদিত মাত্রায় ব্যবহারে ফসলের স্বাদ ও গন্ধের কোন পরিবর্তন হয় না। হারভেস্ট - গুনগতমান, উন্নতসেবা ও অধিক ফলনের নিশ্চয়তা।
হারভেস্ট - নির্ধারিত মাত্রায় এমনভাবে স্প্রে করুন যেন সমস্ত গাছ/ফসল ভালোভাবে ভিজে। হারভেস্ট - একই ফসলে প্রয়োজনে একাধিকবার ব্যবহার করা যায়, এতে ফসলের স্বাদ ও গন্ধের কোন পরিবর্তন হয় না। “সব বালাইনাশকই বিকালে স্প্রে করা উত্তম” একর প্রতি মাত্রা ২০০ গ্রাম
সাবধানতা: খালি হাতে কীটনাশক ব্যবহার করবেন না, হাতে ক্লিনিক্যাল মোজা অথবা পলিথিনের ব্যাগ জড়িয়ে নিন। স্বাদ ও গন্ধ নেয়া বা শরীরে লাগানো নিষেধ। কীটনাশক ব্যবহারের সময় পানাহার ও ধূমপান করা নিষেধ। খালি গায়ে ও বাতাসের বিপরীতে কীটনাশক ছিটাবেন না। কীটনাশক ব্যবহারের পর শরীর ও কাপড় ভালোভাবে সাবানা-পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ব্যবহারের পর খালি প্যাকেট ছিঁড়ে মাটিতে পুঁতে ফেলুন। কীটনাশক ব্যবহারের ২১ দিন পর ফসল সংগ্রহ করুন। গুদামজাতকরণ: হারভেস্ট এর প্যাকেট শিশুদের নাগালের বাইরে, খাদ্যবস্তু ও পশুখাদ্য থেকে দূরে ছায়াযুক্ত নিরাপদ স্থানে রাখুন। বিষক্রিয়ার লক্ষণ: ক্ষুধামন্দা, মাথাঘোরা, বমি বমি ভাব, অতিরিক্ত ঘাম, দূর্বলতা, অস্থিরতা, শ্বাসকষ্ট, মাংসপেশীতে কাঁপুনি ও খিঁচুনি, চোখের মনি ছোট হয়ে আসা ইত্যাদি। প্রাথমিক চিকিংসা: এই কীটনাশক ভুল করে কেউ গলধঃকরণ করে ফেললে সাথে সাথে বমি করান। অজ্ঞান রোগীকে কখনো বমি করাবেন না। রোগীকে বার বার পানি খাওয়ান, যতক্ষণ পর্যন্ত পরিষ্কার বমি না পাওয়া যায়। রোগীকে দুধ খাওয়াবেন না। চোখে লাগলে ১০-১৫ মিনিট ধরে সাবধানে পরিষ্কার পানির ঝাপ্টা দিন। কীটনাশকের মূল লেবেলসহ অতি সত্বর ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। “বালাইনাশকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর” শিশুদের নাগালের বাহিরে রাখুন। ব্যবহারের পূর্বে বোতলের গায়ে লিখিত নির্দেশাবলী ভালভাবে পড়ুন এবং মেনে চলুন।