Saota 57%

  বিস্তারিত

এপি/পিএইচপি নম্বর

AP-2278

কোম্পানি

M/S Intefa

গ্রুপ

Aluminium Phosphide

উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা কর্তৃক অনুমোদিত

ধান/চাল- লাল কেড়ী পোকা, চাউলের উইভিল ও কেড়ী পোকা-প্রতি টনে ৪টি ট্যাবলেট

সাওতা গুদামজাত ধান/চালে ব্যবহার্য বাষ্পজাতীয় কীটনাশক। এর প্রতি কেজিতে ৫৭০ গ্রাম অ্যালুমিনিয়াম ফসফাইড বিদ্যমান। বাতাসের সংস্পর্শে সাওতা প্রচন্ড বিষাক্ত ফসফিন গ্যাস নির্গত করে যা গুদামজাত ধান/চালের ক্ষতিকর পোকা দমন করে। সাওতা'র কার্য শেষের প্রভাব বিষাক্ত বা বিপদজনক নয় এবং ব্যবহৃত পণ্যে কোন রকম দুর্গন্ধ বা ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে না।

ব্যবহারবিধিঃ স্তুপাকার পণ্যে: প্রতি টন ধান/চালে সাওতা'র ৪টি ট্যাবলেট বিভিন্ন জায়গায় দিয়ে বায়ুশূন্যে করে নিচ্ছিদ্র অবস্থায় বায়ুরোধী জিনিস দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে যাতে বায়ু চলাচল করতে না পারে। গুদাম ঘরে হাত দিয়ে না ছুঁয়ে একটা ট্রেতে প্রতি টনের জন্য সাওতা'র ৪টি ট্যাবলেট আলাদা আলাদা করে ধান বা চালের বস্তার নীচে বা পাশে রেখে পলিথিন দ্বারা এমন ভাবে বেধে দিতে হবে যেন বিষবায়ু বের না হতে পারে।

সতর্কীকরণ: সাওতা'র কণা বা ধোঁয়া নিঃশ্বাসের সাথে গ্রহণ করা যাবে না। ব্যবহারের সময় নিরাপত্তামূলক সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হবে। সাওতা ব্যবহারের সময় কোন কিছু খাওয়া কিংবা ধূমপান করা যাবে না। কখনও একা প্রয়োগ করা যাবে না এবং ৩০ মিনিটের মধ্যে প্রয়োগ করার কাজ শেষ করতে হবে। সব সময় খোলা জায়গায় সাওতা'র কৌটা খুলতে হবে। সাবালক ব্যক্তিরা এই ট্যাবলেট প্রয়োগ করবেন এবং প্রয়োগের জায়গায় সাবধানতা অবলম্বন করে নোটিশ দিতে হবে। ধান বা চালের তাপমাত্রা ৫° সে. (৪০° ফারেনহাইট)-এর নীচে হলে কখনোই ট্যাবলেট দেয়া যাবে না। বিষক্রিয়ার লক্ষণ: মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, কানে তালাধরা, শ্বাসকষ্ট, আন্ত্রিক যন্ত্রণা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে। উল্লেখিত বিষক্রিয়ার লক্ষণের বেশি মাত্রার উপসর্গ হলো শুকনা কাশি, পেট খারাপ, অত্যাধিক তৃষ্ণাবোধ, অত্যন্ত ঘাম এবং খিচুনী। অল্প মাত্রায় আক্রান্ত বিষক্রিয়ার রোগী ১-২ ঘন্টার মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। তবে বিষক্রিয়ার দীর্ঘস্থায়ী কোন প্রভাব ঘটার সম্ভাবনা নেই। প্রাথমিক চিকিৎসা: নিঃশ্বাসের সাথে গ্যাস ভিতরে গেলে রোগীকে অবিলম্বে খোলা জায়গায় নিয়ে উষ্ণতায় আরামে রাখতে হবে। গিলে ফেললে লবন মিশানো উষ্ণ পানি খাইয়ে বমি করাতে হবে এবং অবিলম্বে হাসপাতালে নিতে হবে। প্রতিষেধক: নিঃশ্বাসের সাথে গ্যাস ভিতরে গেলে অবিলম্বে পর্যাপ্ত অক্সিজেন দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শে ব্রংকোডায়লেটর এবং ডিকনজেস্ট্যান্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। ৫০-১০০ সিসি ৭.৫% সোডিয়াম বাইকার্বোনেট ইন্ট্রাভেনাস ইনজেকশন আস্তে আস্তে দিয়ে বা বাইলস টিউব দিয়ে খাইয়ে প্রস্রাবের ক্ষার বজায় রাখতে হবে। গিলে ফেললে কপার সালফেট সলিউশন ০.২% খাইয়ে বমি করাতে হবে। এতে অদ্রাব্য কিউপ্রিক ফসফাইড উৎপন্ন হয় এবং এটা দূর করতে ১৪৫০০০ পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দ্রবন দিয়ে পেট পরিষ্কার করাতে হবে। এক আউন্স মিল্ক অব ম্যাগনেশিয়াম বা ২/৩ টি ডিমের সাদা অংশ ফাটিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে। তবে চর্বি বা তেলজাতীয় খাবার দেয়া যাবে না। ডাক্তারের জ্ঞাতব্য: সাওতা অত্যন্ত বিষাক্ত। বেশি পরিমান গ্যাসের বিষক্রিয়ার ফলে যকৃত, বৃক্ক, ফুসফুস, স্নায়ুতন্ত্র এবং সংবহন তন্ত্রের ক্ষতি হয়।

   একই ধরনের অন্যান্য ঔষধ